ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও সেটি গোপন রাখার অপরাধে এক বছরের জন্য সবধরনের ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান। তাকে ছাড়াই শুরু হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সপ্তম আসর।
এবারের আসর শুরুর আগেই বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, সাকিবের ঘটনার পর থেকে তারা ক্রিকেট মাঠে ফিক্সিং ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও বেশি সোচ্চার ও সতর্ক হয়েছেন। যাতে করে বিপিএল বা বাংলাদেশের কোনো খেলায় ফিক্সিংয়ের কালো থাবা পড়তে না পারে।
কিন্তু বিপিএলের নতুন আসরের প্রথম ম্যাচেই ঘটেছে বিস্ময়কর এক ঘটনা। অদ্ভুত দুই ওয়াইড ও নো বল করেছেন সিলেট থান্ডার্সের ক্যারিবীয় পেসার ক্রিসমান সান্টোকি। যা দেখে কেউ কেউ সরাসরি বলেই দিয়েছেন, ‘এটা নিশ্চিত ফিক্সিং।’ শুধু সাধারণ মানুষরাই নন, খোদ বিসিবি পরিচালক তানজীল চৌধুরীর মনেও জেগেছে সংশয়, এটি ফিক্সিং নয়তো?
ঘটনা আসরের উদ্বোধনী ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের। মিরপুরে সিলেট থান্ডার্সের ছুড়ে দেয়া ১৬৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন সান্টোকি। ওভারের তৃতীয় ডেলিভারিটি বড়সড় এক ’ওয়াইড’ দেন তিনি। এরপর পঞ্চম বলে দেন বিশাল এক ‘নো’।
সান্টোকি তৃতীয় বলটি করার সময় স্ট্রাইকে ছিলেন আভিশকা ফার্নান্দো। লেগ সাইডে সান্টোকি এমনই বড় এক ‘ওয়াইড’ ডেলিভারি দেন, যা ধরতে রীতিমত ঘাম ঝড়েছে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ মিঠুনের। তিনি বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে বলটা গ্লাভসবন্দী না করলে ওয়াইডের সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ৪ রান পেয়ে যেত চট্টগ্রাম।
পরের দুটি ডেলিভারিতে ক্যারিবীয় পেসার রান দেননি। কিন্তু পঞ্চম ডেলিভারিতে এসে দিয়ে বসেন বিশাল এক ‘নো’। এতই বিশাল, দাগ থেকে তার ডান পা প্রায় এক হাত বাইরে ছিল। ২০১০ সালে লর্ডস টেস্টে মোহাম্মদ আমির যে ‘নো’ বল দেয়ার কারণে নিষিদ্ধ ছিলেন পাঁচ বছর। সান্টোকির ‘নো’ বলটা ছিল তার চেয়েও বড়।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১০:৫০এএম/১৩/১২/২০১৯ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি