ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : মার্কিন ছাত্র অটো ওয়ার্মবিয়ারকে জেল থেকে মুক্তি দিল উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার একটি হোটেলে অবস্থান করে দেশটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয় এ মার্কিন ছাত্র। পরবর্তীতে তাঁকে ১৫ বছরের সাজা দেয়া হয়।
তবে তাঁর বাবা বলছেন, ওয়ার্বিয়ার এক বছর থেকে সেখানে কোমা অবস্থায় ছিল, সেই পরিস্থিতিতে দেশে ফিরছে সে। মার্কিন প্রশাসন জানাচ্ছে, ২২ বছর বয়সী এ মার্কিন ছাত্র এখন দেশের পথে আছে।।
ওয়ার্মিবার পরিবার মার্কিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে তারা মাত্র গত সপ্তাহে জানতে পেরেছেন তাদের সন্তান ২০১৬ সালের মার্চে বিচারের কিছুদিনের মধ্য থেকে কোমা অবস্থায় আছেন।
২ জানুয়ারি, ২০১৬-এ তাকে গ্রেফতার করা হয় যখন তিনি ইয়ুথ পাইওনিয়ার ট্যুরের সাথে পর্যটক হিসাবে উত্তর কোরিয়াতে অবস্থান করছিলেন। ইউনিভার্সিটি অব ভার্জেনিয়া থেকে অর্থনীতির উপর উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া ওয়ার্মবিয়ারের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও এলাকায়।
গ্রেফতার হওয়ার একমাস পর এক সংবাদ সম্মেলনে কাঁদতে কাঁদতে স্বীকার করেন যে, তিনি এক মার্কিন গীর্জার জন্য কাজ করতে লিখিত সম্মতি দেবার পথে ছিলেন। এবং সেই সাথে এও বলেন, তার কাজ ছিল মূলত উত্তর কোরিয়ার জনগণের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে ছিল। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, চাপের মুখে তিনি এ স্বীকারোক্তি দেন। সে বছরই মার্চে তাঁকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।
তার পিতামাতা সিএনএনকে জানান যে, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সন্তানের সাথে তাদের কোন যোগাযোগ ছিল না।
এক বিবৃতি তারা আরো জানান, ওয়ার্মবিয়ার এখন উত্তর কোরিয়া ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে যাত্রা করেছে। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, আমাদেরকে বলা হয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সে কোমা অবস্থায় আছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগে আমাদেরকে তার শারীরিক অবস্থা এ কথা জানানো হয়।
সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের সাথে লিপ্ত থাকার অভিযোগে কিম সাং-ডাক (৫৫) নামের একজন দক্ষিণ কোরিয়কে গত এপ্রিলে গ্রেফতার করা হয়েছিল । একইভাবে কিম ডং-চুলকে (৬২) গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড দেয় দেশটি। সূত্র: বিবিসি
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৩:২৫পিএম/১৪/৬/২০১৭ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি