ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : আসলেই কিছু মানুষকে কামড়াতে বেশি পছন্দ করে মশারা। আর কামড়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছু রোগও ছড়ায় তারা। যেমন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং জিকা।
কিছু কিছু মানুষের শরীরে মশার প্রিয় রাসায়নিক বেশি থাকে বলে তাদের প্রতি মশারা বেশি আকৃষ্ট হয়, জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ইউসি ডেভিস বিশ্ববিদ্যালয়ের মশা গবেষণা পরীক্ষাগারে কর্মরত লার্ক কফি। তিনি বলেন, ‘আমাদের শরীরের গন্ধ এবং আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইডে আকৃষ্ট হয় মশা। কারও কারও শরীরের গন্ধ মশার কাছে বেশি প্রিয়।’
অনেকেই ঠাট্টা করে বলেন, যাদের রক্ত বেশি মিষ্টি তাদেরকে মশা বেশি কামড়ায়। বিষয়টা অনেকটা তেমনই। ত্বক থেকে নিঃসৃত কিছু রাসায়নিক (যেমন ল্যাকটিক এসিড) মশাকে বেশি আকর্ষণ করে। এ ছাড়া ও গ্রুপের রক্তের মানুষকে মশা বেশি কামড়ায়।
শরীর থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইডও মশাকে আকৃষ্ট করে। গর্ভবতী নারী, অতিরিক্ত মোটা মানুষ, ব্যায়ামের পর বা মদ্যপানের পর মানুষকে মশা বেশি কামড়ায়।
মশা কামড়ানোর পর অ্যান্টি-ইচ ক্রিম মাখতে পারেন ত্বকে। এ ছাড়া ত্বকে বরফ ঘষলেও জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যাওয়া কমে। তবে মশার কামড় থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পেতে করতে পারেন নিচের কাজগুলো করলে-
লম্বা হাতাওয়ালা জামা ও প্যান্ট পরতে পারেন।
দরজা-জানালায় নেট বসাতে পারেন।
বাড়ির আশেপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে পারেন।
মশা যেহেতু ভোর এবং সন্ধ্যার দিকে বেশি কামড়ায়, এসব সময়ে ঘরে মশারির ভেতর থাকতে পারেন।
কালো পোশাক পরা হতে বিরত থাকুন, সাদা বা হালকা রঙের পোশাক পরুন।
ফ্যানের সামনে বসুন, এতে মশা কম কামড়াবে। সূত্র : কেসিআরএ, টাইম
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১২:০৫পিএম/২৫/৬/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি