

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : পৃথিবীর প্রতিবেশী মঙ্গলগ্রহে পানির সন্ধান পেলেও প্রাণীর দেখা এখনও পাননি বিজ্ঞানীরা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পাঠানো রোবট এখন পর্যন্ত যেসব ছবি পাঠিয়েছে তাতে রহস্যময় অনেক বস্তু ধরা পড়লেও কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা মেলেনি। এলিয়েন বিশ্বাসীরা সেসব ছবি নিয়ে নানা দাবি তুললেও বিজ্ঞানীরা তা মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা গুগল সম্প্রতি নাসার রোবটযান ডিসকভারি রোভারের পাঠানো ছবির সাহায্যে তাদের ম্যাপ সমৃদ্ধ করেছে। গুগল ম্যাপে এখন পৃথিবী ছাড়াও প্রতিবেশী গ্রহগুলোর পৃষ্ঠও দেখা সম্ভব হচ্ছে। তবে মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে একদল এলিয়েন বিশ্বাসী ব্যাখ্যাতীত কিছু দৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন।
অস্পষ্ট হলেও ছবিগুলোয় এমন কিছু ধরা পড়েছে যা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে, কালো রংয়ের অদ্ভুত তবে অসংখ্য বস্তু একত্রে লেকের মতো একটি স্থানে সমবেত হয়েছে। যেন একত্রে তারা পানি পান করতে এসেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, এলিয়েন বিশ্বাসীরা বলছেন লাল গ্রহটিতে যে এখনও প্রাণের অস্তিত্ব আছে এই ছবিই তার প্রমাণ। তাছাড়া মঙ্গলের সব স্থানই যে রুক্ষ এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই।
এই প্রসঙ্গে এলিয়েন বিশেষজ্ঞ নিল ইভান্স ডেইলি স্টারকে বলেন, এই ছবিই প্রমাণ করছে লাল গ্রহে প্রাণ রয়েছে। সেখানে যে আবহাওয়া রয়েছে তা সেসব প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য অনুকূলেই রয়েছে।
ইভান আরও বলেন, রুক্ষ মরু প্রান্তর বলে মঙ্গলের যে দৃশ্য আমরা এতদিন দেখে এসেছি তেমনটি সব প্রান্তে নাও থাকতে পারে। কেননা পৃথিবীতেও সব প্রান্ত এক রকম নয়। কোথাও মরুভূমি যেমন রয়েছে, তেমনই আবার রুক্ষ পাথুরে প্রান্তরও রয়েছে খোদ এই পৃথিবীতে।
ইভানের দাবি, পৃথিবীর সেসব স্থানে যদি কোনো মানুষকে ছেড়ে দেয়া হয় তবে তার পক্ষে বলা কঠিন সে কোথায় রয়েছে! তাই মঙ্গল গ্রহেও যে সব স্থানই রুক্ষ এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। কেননা মঙ্গলের সব প্রান্তও একই রকম নয়।
তার দাবি, গুগল আর্থেই মঙ্গল গ্রহের বিভিন্ন প্রান্তের ছবি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করলে পানির প্রবাহের দেখা মিলবে। অনেক স্থানে বনাঞ্চলও যে রয়েছে তা সহজেই বোঝা যাবে।
মঙ্গল গ্রহের অজানা প্রান্ত নিয়ে বিশেষ ওই ভিডিওটি ইউটিউবে প্রকাশের পর পরই তা চার হাজার মানুষ দেখে ফেলে। কমেন্ট বক্সে প্রতিক্রিয়াও আসে মিশ্র।
গুগল আর্থে মঙ্গল গ্রহের উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতেও বরফের অস্তিত্ব দেখা যায় বলে দাবি করেছেন এলিয়েন বিশ্বাসীরা। এর অর্থ হচ্ছে পৃথিবীর মতোই জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে মঙ্গলের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু।
এলিয়েন বিশ্বাসীদের দাবি, মঙ্গল গ্রহকে নিয়ে পৃথিবীর মানুষের দীর্ঘদিনের যে অন্ধ ধারণা ছিল তা পরিবর্তনের সময় এসেছে। আর শক্তিধর দেশগুলো গ্রহটি সম্পর্কে কেন বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে তাও সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করা উচিত।
https://youtu.be/KE1esGNKm5U
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৩:০০পিএম/২৯/৩/২০১৮ইং)
আপনার মতামত লিখুন :