ঢাকারনিউজ২৪.কম, ঢাকা : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার চাইছে বিএনপিকে একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে গিয়ে সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিতে।’ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে এক যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আমাদের যে কালো পতাকা মিছিল ও কালো ব্যাচ ধারনের কর্মসূচি ছিল তা প্রতিহত করার জন্য সরকার পেটোয়া বাহিনী ও রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে সেটাকে বানচাল করার চেষ্টা করেছে।
সারাদেশে আমাদের নেতা-কর্মীদের উপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে ও অনেককে আটক করেছে। এমনকি আমাদের অফিসের সামনে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নামে একটি সংগঠন এসে হামলা চালিয়ে একজন কর্মীকে আহত করেছে। এর মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয় সরকার প্রভোকেশন (প্ররোচণা) চালাচ্ছে। অর্থাৎ সরকার চাইছে এই ধরনের ঘটনাগুলো ঘটিয়ে বিএনপিকে একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে যেতে। বিএনপিকে সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দিতে। আমরা আগেই বলেছি আমরা সংঘাত চাই না। সংঘাত এড়িয়ে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালন করতে চাই।
সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'বিএনপি শান্তিপূর্ণ উপায়ে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার কাজ করছে। বিএনপি মনে করে একমাত্র সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন করা যেতে পারে। যেহেতু এই সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে তাই তারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না। তাই তারা বিএনপিকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চায়। দেশে বিরাজনীতিকরণ করতে চায়।
আগামী ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে সম্পর্কে তিনি বলেন, ওই সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের সিনিয়র নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সমাবেশের অনুমতি সরকার দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন ফখরুল।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৮:৫৫পিএম/৫/১/২০১৭ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি