

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। এ জন্য প্রয়োজনে লেজার ওয়াল ও স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তিও ব্যবহার করবে সংস্থাটি।
এ বছরের শুরুতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যেসব অঞ্চলে স্বাভাবিকভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না সেসব অঞ্চলে লেজার ওয়াল ও স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে যা রাতে এমনকি কুয়াশার মধ্যেও সক্রিয় থাকবে। জানা গেছে, লেজার ওয়াল ও স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তি এই প্রথম এই অঞ্চলে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় এসব প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে সফলতা পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ২০১৮ সালের মধ্যে এই কর্মসূচি সফল করতে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয় প্রক্রিয়া এরইমধ্যে শুরু হয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ইন্দো-বাংলা সীমান্ত পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলেও দাবি করেছে সূত্রটি। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিএসএফ লেজার ওয়াল ও স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তির দিকে আগাচ্ছে বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর সেই প্রতিবেদনে বলা হয়।
বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ৪,০৯৬ কিলোমিটার সীমানার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাথেই রয়েছে ২,২১৬ কিলোমিটার সীমানা রেখা।
সীমান্ত নিরাপত্তা পরিস্থিতি জোরদার হলে ভালো বাণিজ্য, পর্যটন ও উভয় দেশের মানুষের মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি করবে। যা কানেক্টিভিটিও বাড়াবে। স্পষ্টভাবে কমবে বাংলাদেশ বা ভারতে বোমা ও মাদকপাচার। এছাড়া নারী ও শিশু পাচার, জালনোট চক্র বা গরু পাচারকারীদের কর্মকাণ্ডও কমে আসবে। এছাড়াও কমে আসবে দুই দেশের মধ্যে গুলি বিনিময় যা উভয় দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব সময় স্পর্শকাতর ইস্যু।
ধারণা করা হচ্ছে, উর্দিপরা কর্তৃপক্ষের হাতে উভয় দেশের নাগরিকদের হয়রানিও কমবে। এটাও গুরুত্ব সহকারে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে দিল্লির কঠোর নির্দেশের পর বিএসএফ অনিয়ম ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমস্যা মোকাবিলায় স্পর্শকাতর অঞ্চলে আরও ধৈর্য্য ধারণের পথ অবলম্বন করছে।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৬:৩৫পিএম/১০/৫/২০১৭ইং)
আপনার মতামত লিখুন :