

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা : উত্তরের শষ্য ভাণ্ডার গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে এবার আগাম আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু আলু তুলে বিক্রি করে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষক পড়েছেন বিপাকে। অন্যদিকে ঋণ করে আলু চাষিরা পাওনাদারদের ভয়ে অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আলু বিক্রি করে চাষিদের উঠছে না উৎপাদন খরচ।
গত বছর আগাম আলুর বাজার মূল্য ভালো পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আগাম জাতের আলুর চাষ করেছেন অনেক কৃষক। ফলনও পেয়েছেন ভালো। বেশ খোশ মেজাজেই ছিলেন আলু চাষিরা। কিন্তু আলুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
পলাশবাড়ীর কেশবপুর গ্রামের কৃষক হামিদুল ইসলাম জানান, ঋণ করে আলু চাষ করে এখন আলুর দাম না পাওয়ায় চাষিরা পাওনাদারদের ভয়ে অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আলু বিক্রি করে চাষিদের উঠছে না উৎপাদন খরচ।
উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে বাইরে যাচ্ছিল আলু। এর পর দাম পাচ্ছে না কৃষক। ৮ থেকে ৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন আলু। চাষাবাদে খরচ বেশি হওয়ায় উৎপাদিত আলু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। দর কমে যাওয়ায় ফলন ভাল পেলেও হতাশ তারা।
পিলাশবাড়ী কৃষি কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান, লাভজনক ফসল হওয়ায় উপজেলায় এবার ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু চাষ হয়েছে, ৫ হাজার ৯শ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক হয়েছে আগাম আলু চাষ।
আগাম জাতের আলু চাষাবাদ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন এ অঞ্চলের কৃষক। কিন্তু আলুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে আগামীতে এ অঞ্চলে আগাম জাতের আলু চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছেন কৃষিবিদরা।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৯:০০এএম/৬/১/২০১৭ইং)
আপনার মতামত লিখুন :