নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের জালকুড়ি বাস স্ট্যান্ড নতুন ব্রিজ সংলগ্ন মেইন রোডের পাশে অবৈধ ভাবে দলখদার মাছ ও সবজি বাজার এবং ফল ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকানগুলো উচ্ছেদের দাবী জানিয়েছেন পরিবহন চালক ও স্থানীয় এলাকাবাসী। অবৈধ এ বাজারের কারনে প্রতিনিয়ত এদিক দিয়ে চলাচলরত সাধারন মানুষকে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে তারা প্রশাসনের কাছে এ অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকানগুলো উচ্ছেদ করে দখল মুক্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশে সবজি-মাছ ও ফলের দোকানদাররা রাস্তাটি তাদের দখলে নিয়ে সরকারি কোন অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে। তাদের এ অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বাজার গড়ে তোলার কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। জালকুড়ি এলাকার বাস স্ট্যান্ড সড়ক থেকে নারায়ণগঞ্জ টু আদমজী সড়কের সংযোগ হবার ফলে সাধারণ পরিবহন থেকে শুরু করে অনেক মালবাহী গাড়ী চলাচল করে থাকে এই রুটে। এসব অবৈধ দোকানের কারনে রাস্তাটি সরু হওয়ায় এসব পরিবহনকে পড়তে হয় বিপাকে। সেই সাথে সাধারণ মানুষের চলাচলে সৃষ্টি হয় প্রতিবন্ধকতার।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা কোন লীজ না নিয়ে এই সরকারি ভূমিতে দোকান বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। সরকারি জায়গা হওয়ায় সরকার যে কোন সময় তাদের সড়ে যেতে বললে তাঁরা চলে যাবেন। তাঁরা
কাউকে কোন চাঁদা না দিলেও প্রতিটি দোকানীকে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য আসলাম নামে এক ব্যক্তিকে বিদ্যুৎ বিল হিসেবে টাকা দিয়ে থাকে। এই বাজারের বিদ্যুৎ সংযোগ তাঁর নিয়ন্ত্রণে।
কয়েকজন পরিবহন চালকের সাথে কথা বললে তাঁরা বলেন, আগে একটি সড়ক ছিলো এখন পুরনো রাস্তার পাশে নতুন ব্রিজ তৈরি হওয়ায় প্রতিদিন আমাদের যাত্রী নিয়ে আসা যাওয়া করতে হয়। কিন্তু ব্রিজের নীচে নামতে গেলে এসব দোকানের কারনে সহজ ভাবে রাস্তা দিয়ে চলাচল সম্ভব হয় না। এ অবৈধ বাজার সড়িয়ে দিয়ে এখানে জনসাধারণের সুবিধার্থে পরিবহনের জন্য একটি স্ট্যান্ড দরকার। যাত্রীরা যেনো নিরাপদে উঠানামা করতে পারে এবং আমরা পরিবহন রাখতে পারি। কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না।
এলাকাবাসীর মতে, আসলাম এইসব অবৈধ দখলকারী দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এসব অবৈধ দোকানের কারনে রাস্তায় যানজটের ফলে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তারা দাবি করেন- আমরা রাস্তার দু’পাশ দখল মুক্ত চাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি