ঢাকারনিউজ২৪.কম ,ডেস্ক ; নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দশম শ্রেণির ছাত্রী নাদিয়া আক্তার (১৬) রক্তক্ষরণজনিত বিরল রোগে আক্রান্ত। তার নাক, কান ও চোখ দিয়ে ক্ষণে ক্ষণে রক্তক্ষরণ হয়। প্রায়ই সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ মেলতে পারে না মেয়েটি। চোখে অসহ্য জ্বালাপোড়া করে।
নাদিয়া উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পজর্দি মাঝি বাড়ির ক্ষুদ্র চা দোকানি ইমাম উদ্দিনের বড় মেয়ে। সে বামনী আছিরিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী।
নাদিয়া বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ ডা. মুক্তি রাণী মণ্ডলের অধীনে ৩০৬ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন।
পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর মাসে প্রথমে নাদিয়ার মুখ থেকে রক্তক্ষরণ ও বমি হলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ অবস্থা দেখে তার বাবা প্রথমে তাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ঢাকায়ও ডাক্তার দেখান। কিন্তু তাতেও নাদিয়ার কোনো উন্নতি হয়নি। ফলে গত সাত মাস ধরে একইভাবে ক্ষণে ক্ষণে তার নাক, কান, চোখ দিয়ে রক্তক্ষরণ অব্যাহত আছে।
ইমাম উদ্দিন জানান, যতটুকু সামর্থ্য ছিল তা দিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করিয়েছেন। ডাক্তার বলেছে এ রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। বর্তমানে অর্থাভাবে মেয়ের চিকিৎসা ঠিকমতো করাতে পারছেন না।
এদিকে মেয়েকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নাদিয়ার বাবা ইমাম উদ্দিন। এ ছাড়া সমাজের বিত্তশালী ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের প্রতিও সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তিনি
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসই/৮:২৬পিএম/২৬/০৫/১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি