• ঢাকা
  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

জয়পুরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৪, ২০১৯, ৩:৫৬ PM / ১২৮
জয়পুরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

রাজশাহী সংবাদদাতা : ২৪ অক্টোবর জয়পুরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কাশিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

কাশিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতাসদস্য আঃ মালেক বলেন, এই প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের হিসাব ঠিকমতো না রেখে তার নিজের মতো করে খরচ করে,সেই সাথে ঢেউটিন,টিউবয়েল,টয়লেট এসব কাজের যা খরচ হয় তার চেয়ে ডাবল হিসাব তার তালিকায় লিখে,এবং এসব খরচের ভাউচার ও রাখে না।

ওই প্রতিষ্ঠানের দাতাসদস্যের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন বলেন, এই প্রধান শিক্ষক ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য খেলাধুলার সামগ্রীর জন্য বরাদ্ধকৃত টাকা সে সে,সবকাজে ব্যবহার না করে নিজের পকেটে ঢুকায়। শুধু তাই নয় শিক্ষার্থীরা খেলাধূলার জন্য এসব সামগ্রী চাইলি তাদেরকে ধুমকও দেয়।

এছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর অভিভাক রইহান হোসেন, আলতাফ হোসেনসহ কয়েকজন কয়েকজন গ্রামবাসী বলেন, এই প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠনের ব্যাপক অনিয়ম করে, প্রতিষ্ঠানের কোন কমিটি না থাকায় সে নিজের মতো টাকা খরচ করে আর যা খরচ করে তার ডাবল খাতায় লিখে রাখে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পেনসিল কিনে ২শ ২০ টাকা দিয়ে আর তার খাতায় তোলে ৪শ৯০ টাকা, আবার ৯টি ফ্যান কিনে ১৩হাজার ৫শ দিয়ে তার খাতায় তোলে ১৮হাজার টাকা। অন্যদিকে স্কুলের ১৭ গজ কার্পেট কিনা বাবদ ব্যায় করে ৩হাজার ২শ টাকা আর খাতায় লিখে ৫ হাজার ৫শ টাকা। শুধু তাই নয় জাতীর জনক বঙ্গবন্ধ ১৫ আগষ্টের মিলাত বাবদ প্রতিষ্ঠানে পায় ২হাজার টাকা আর সেখানে খরচ করে ৩শ টাকার বাতাসা কিনে।

তবে এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো সম্পূর্ন মিথ্যা, বরং অভিযোগ কারীরা আমার কাছে থেকে চাদা বাদি করে, মারার হুমকি ধামকি দেয়। তবে সংবাদিকরা তাকে বলে আপনাকে মারার হুমকি দেয় আপনে কি থানায় অভিযোগ কিংবা আপনার উদ্ধোতন কাউকে জানিয়েছেন, উত্তরে তিনি তার কাছে থেকে না জবাব আসে। আবার তিনি বলেন, সাংবাদিকরা নিউজ করে আমার কিছুই করতে পারবে না।

সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, এই বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়ে সেখানে গিয়েছিলাম। সেই সাথে তার বিরুদ্ধে একটি তনন্দ রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে সেটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। তারপর তিনিই ব্যবস্থা নিবেন।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৩:৫৪পিএম/২৪/১০/২০১৯ইং)