ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : আশঙ্কা ছিল বিতর্কিত ভঙ্গিতে উদযাপনের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। সেটা হলে জুভেন্টাসের জন্য হতো বড় এক ধাক্কা। কারণ, নিষিদ্ধ হলে আয়াক্সের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে রোনালদোকে থাকতে হতো দর্শক হয়ে।
তুরিনের ক্লাবটির জন্য খুশির খবর, নিষেধাজ্ঞা নয়, এ যাত্রা জরিমানাতেই রক্ষা পেয়েছেন রোনালদো। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সেই ‘বিগ বল’ উদযাপনের জন্য ২০ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়েছে রোনালদোকে।
রোনালদোর সেই বিতর্কিত উদযাপন
রোনালদোর সেই বিতর্কিত উদযাপন
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোল’র প্রথম লেগে এই অশোভন উদযাপনের জন্য অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন কোচ দিয়েগো সিমিওনেকেও জরিমানা করা হয়। সেই একই শাস্তিই নেমে এল রোনালদোর কপালে। এক অর্থে রোনালদোর চেয়েও বড় অপরাধী ছিলেন অ্যাতলেতিকোর আর্জেন্টাইন কোচ। কারণ, সিমিওনের উদযাপন ভঙ্গি ছিল বেশি অশোভন!
ঘরের মাঠের প্রথম লেগে ২-০ জেতা ম্যাচে সিমিওনে উদযাপন করতে গিয়ে অতি আবেগি হয়ে দুর্ঘটনাই আসলে ঘটিয়ে ফেলেন। দু’হাতে নিজের যৌনাঙ্গ ধরার ভঙ্গিতে উদযাপন করেন! যে কাণ্ডের জন্য সিমিওনে ব্যাপক সমালোচিত হন এবং উয়েফা তাকে জরিমানা করে।
অশোভন উদযাপনের জন্য অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনেকেও জরিমানা করা হয়
অশোভন উদযাপনের জন্য অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনেকেও জরিমানা করা হয়
উয়েফা সিমিওনেকে জরিমানাটা করেছিল, যাতে অন্য কেউ এমন অশোভন উদযাপন করার সাহস না দেখায়! অথচ দ্বিতীয় লেগে জুভেন্টাসের ৩-০ জেতা ম্যাচেই রোনালদো সিমিওনেকে অনুকরণ করেন। নিজে জোড়া গোল করার পথে পর্তুগিজ তারকাও প্রায় একই ভঙ্গিতে উদযাপন করেন।
পার্থক্য শুধু এই, সিমিওনের মতো রোনালদো নিজের যৌনাঙ্গ ধরেননি। তবে ভঙ্গিটা ছিল প্রায় একই রকম। জবাব দেওয়ার প্রতিপক্ষ কোচ পাল্টা জবাব দেওয়ার নিমিত্তে সেই উদযাপন অপরাধেই পেতে হলো শাস্তি। গুণতে হচ্ছে, জরিমানার টাকা। তবে ভাগ্য ভালো যে, জরিমানাতেই রেহাই পেয়েছেন। উয়েফা নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয়নি। নিষিদ্ধ করা হলে, আয়াক্সের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে তার খেলাই হতো না।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১০:২৭এএম/২২/৩/২০১৯ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি