ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : প্রথম ম্যাচে বাহরাইনের জালে ১০ গোল। দ্বিতীয় ম্যাচে লেবাননের জালে ৮ গোল। তৃতীয় ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জালে ৭ গোল। গ্রুপ পর্বের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচেও বজায় থাকল সেই ধারাবাহিকতা। ফিফা র্যাংকিংয়ে ৭৫ ধাপ এগিয়ে থাকা ভিয়েতনামকে ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল দল।
এই জয়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করেছে গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যরা। টানা চার জয়ে ১২ পয়েন্ট অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। ভিয়েতনাম হারলেও সেরা রানার্স-আপ হিসেবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে। এজন্য সেরা দুই রানার্স-আপ দলের মধ্যে থাকতে হবে তাদের।
গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচেই জয় পায় দুই দল। তিন ম্যাচে কোনো গোল হজম না করা বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ায় সব মিলিয়ে ২৫ বার। তিন জয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ছিল ৯। তিন ম্যাচ পর ভিয়েতনামের পয়েন্টও ছিল ৯। এমনকি দুই দলের গোল ব্যবধানও ছিল সমান।
পয়েন্ট ও গোল ব্যবধান সমান হলেও র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের পার্থক্যটা আকাশ-পাতাল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভিয়েতনাম ৩৭ ও বাংলাদেশের অবস্থান ১১২তম। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে শেষ ম্যাচে জয় দরকার ছিল দুই দলেরই।
২৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুই দল। এই লক্ষ্যে প্রথম সাফল্য পায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় বাছাই পর্বের সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ।
এ সময় আনাই মোগিনির শট গোলরক্ষকের গ্লাভস গলে বেরিয়ে গেলে বল টোকা দিয়ে সামনে বাড়ান শামসুন্নাহার জুনিয়র। শেষ মুহূর্তে গোল লাইনের একটু উপর থেকে নিচু হেডে লক্ষ্যভেদ করেন তহুরা খাতুন। ৬৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ।
এবার মারিয়া মান্ডার কর্নারে হেড নেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। তার হেড পোস্টে লেগে ফিরে এলে শট নেন আখিঁ খাতুন। এই শট ফিরিয়ে দেন ভিয়েতনামের গোলরকক্ষক। কিন্তু পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় ফিরতি শটে আখিঁই জালের ঠিকানা খুঁজে নেন।
২০১৯ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে থাইল্যান্ডে। তার আগে ফেব্রুয়ারিতে হবে দ্বিতীয় রাউন্ড, তবে ভেন্যু এখনও ঠিক হয়নি।(প্রিয়.কম)
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/কেএস/১০:৩০পিএম/২৩/৯/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি