ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : চলতি মাসের শুরুতেই সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানানো গৌতম গম্ভীর এবার আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লেন। যার জেরে ভারতের সাবেক এই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে দিল্লী কোর্ট।
২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে গম্ভীরের। তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্ব দিয়ে দু’টি শিরোপাও এনে দিয়েছিলেন একসময়ের দুর্দান্ত এই ওপেনার।
২০০৮-২০১১ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন গম্ভীর। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে ভারতের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা গেছে। দীর্ঘদিন জাতীয় দলে উপেক্ষিত থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছিলেন তিনি। ডিসেম্বরের শুরুতে সবধরনের ক্রিকেট থেকেই নিজেকে সরিয়ে নেন ৩৭ বছর বয়সী গম্ভীর।
অবসর নেওয়ার পরপরই বিতর্কের কেন্দ্রে সাবেক ভারতীয় এই তারকা ক্রিকেটার। একটি রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত জালিয়াতি মামলায় ফেঁসে গিয়েছেন গম্ভীর।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গাজিয়াবাদের ইন্দ্রপুরী অঞ্চলে রুদ্র বিল্ডওয়েল রিয়েলটি প্রাইভেট লিমিটেড এবং এইচ আর ইনফারসিটি প্রাইভেট লিমিটেড নামক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে নির্মাণাধীন আবাসনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন গৌতম। ২০১১ সালে প্রকল্পটি শুরু হয়।
১৭ জন ক্রেতা অভিযোগ করেন, দুই কোটি টাকা করে খরচ করেছেন তারা ফ্ল্যাট কিনতে। আট বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত ফ্ল্যাটের চাবি বুঝে পাননি তারা। এরপরই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে তারা মামলা দায়ের করে দিল্লীর সাকেত আদালতে। পরবর্তী সময়ে ডাকা হয় প্রতিষ্ঠানটির দুই শীর্ষকর্তা মুকেশ খুরানা ও গৌতম মেহেতাকে।
ওই মামলায় ডাকা হয় গম্ভীরকেও। সে সময় গম্ভীর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানালে তাও নাকচ করে দেওয়া হয়। তবে ওই মামলায় শুনানির দিন অনুপস্থিত থাকেন ভারতীয় সাবেক এই ওপেনার। চিফ মেট্রোপলিটল ম্যাজিস্ট্রেট মনীশ খুরানার ভাষ্যমতে, বারবার শুনানির দিন ঘোষণা করা সত্ত্বেও আদালতে হাজিরা দেননি গম্ভীর।
এরপরই গম্ভীরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারির পরোয়ানা জারি করা হয়। অভিযোগ তার ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করে অর্থ তছরূপ করেছে ওই সংস্থা। আদালতের পরবর্তী শুনানি আগামী বছরের ২৪ জানুয়ারি।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১২:৪২পিএম/২১/১২/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি