• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন

গাইবান্ধায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ৩ তলা ভবন উদ্বোধন


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৮, ২০২২, ৯:১০ PM / ১৭৬
গাইবান্ধায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ৩ তলা ভবন উদ্বোধন

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি : স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ২ কোটি ৫০ লাখ ৩৭ হাজার টাকা ব্যায়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের তিনতলা ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সকালে গাইবান্ধা শহরের মাস্টার পাড়ায় নতুন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ভবন উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি এমপি।

এসময় জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শরিফুল আলম, সদর উপঝেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃদুল মোস্তাফি ঝন্টু, বীরমুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদা, বীরমুক্তিযোদ্ধা ওয়াশিকুল ইকবাল মাজু, বীরমুক্তিযোদ্ধা আলী আকবার মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা ময়নুল হক রাজা, গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রহমান স্বপন, শহর আ.লীগের সভাপতি ওমর ফারুখ রুবেল ওসাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। গাইবান্ধা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের তিনতলা ভবনে বঙ্গবন্ধুর মূর‌্যাল নির্মাণসহ ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস কক্ষ, সভাকক্ষ ছাড়াও বিদ্যুৎ, পানি ও পয়ঃপ্রণালি সুবিধা রয়েছে।
এছাড়াও সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকা ব্যয়ে বেড়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেণিকক্ষ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তা উদ্বোধন করেন হুইপ।
এদিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন র্শীষক প্রকল্প-৩ এর আওতায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে বেড়াডাঙ্গা বাজার-কুপতলা ইউপি অফিস সড়ক উন্নয়ন কাজ করা হবে।

হুইপ বলেন, বর্তমান আ.লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার। বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ ও তুলে ধরতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে নিমাণসহ বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিসহ পুর্ণবাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলার খবর বিভাগের আরো খবর

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে  পুলিশ সুপারের  মতবিনিময়     এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা।  সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব সহ  বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,সুশীল সমাজ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ জেলা পুলিশের উদ্বোধন কর্মকর্তাবৃন্দ ।  সভায় জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা নিয়ে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।  মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি মনিটরিং ও আনসার মোতায়েন থাকবে।  পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করুন, প্রবেশপথে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখুন এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করুন। কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে সাথে সাথে ৯৯৯ বা নিকটস্থ থানায় জানাবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।  জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। এখানে হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে। এই উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। এ ক্ষেত্রে পূজা উদযাপন পরিষদ, মণ্ডপ কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।  তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে পূজা উদযাপনে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করুন। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।আমি আশা করছি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হবে ইনশাল্লাহ।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,সুশীল সমাজ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ জেলা পুলিশের উদ্বোধন কর্মকর্তাবৃন্দ । সভায় জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা নিয়ে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন। মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি মনিটরিং ও আনসার মোতায়েন থাকবে। পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করুন, প্রবেশপথে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখুন এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করুন। কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে সাথে সাথে ৯৯৯ বা নিকটস্থ থানায় জানাবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। এখানে হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে। এই উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। এ ক্ষেত্রে পূজা উদযাপন পরিষদ, মণ্ডপ কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে পূজা উদযাপনে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করুন। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।আমি আশা করছি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হবে ইনশাল্লাহ।

আরও খবর