ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন আজ মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উত্তর কোরিয়ায় বন্দী যুক্তরাষ্ট্রের সৈনিকদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
দুই নেতার স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশ দুটি অবশিষ্ট বন্দী সৈনিকদের ফিরিয়ে নিয়ে তাদের অবিলম্বে পুনর্বাসন করা হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোরীয় উপত্যকাকে সম্পূর্ণ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করতে কাজ করবে উত্তর কোরিয়া।
১৯৫০-১৯৫৩ সালে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার যুদ্ধে অনেক মার্কিন সৈন্য নিখোঁজ হন, যারা নিহত হয়েছেন বলে ধরে নেয়া হয়েছিল।
কোরীয় উপত্যকার যুদ্ধে অংশ নেয়া মার্কিন সৈন্যদের মধ্য থেকে প্রায় ৭,৮০০ জনের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রায় ৫,৩০০ মার্কিন সৈন্য নিখোঁজ হন উত্তর কোরিয়ায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ফক্স নিউজ জানিয়েছে, পেন্টাগনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পিওডব্লিউ/এমআইএ একাউন্টিং এজেন্সির তথ্য মতে বেশিরভাগ নিখোঁজ মার্কিন সৈন্য উত্তর কোরিয়ায় লড়াই করার সময় বা যুদ্ধবন্দী হিসেবে মারা গেছেন। অন্যরা ছোট ছোট গ্রামে বা পথের পাশে মারা গেছেন। যুদ্ধবিমান মুখ থুবড়ে পড়ার বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটেছিল যুদ্ধক্ষেত্র বা সেসবের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী রাস্তাগুলোর কাছে।
এক দশক আগে আক্রমণাত্মক ভাব বাড়িয়ে দেয়ায় ও পরমাণু অস্ত্র তৈরি শুরু করায় উত্তর কোরিয়ার সাথে মার্কিন যুদ্ধবন্দী ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ হঠাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এবার তা আবার চালু করা হবে।
১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়ার সামরিক অনুসন্ধান দল ৩০টিরও বেশি মিশনের মাধ্যমে ২২৯ সেট মার্কিন সৈন্য উদ্ধার করে।
২০০৬ সালে উত্তর কোরিয়া প্রথমবার পরমাণু পরীক্ষা চালালে মার্কিন উদ্ধার অভিযান দলের সদস্যদের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং এই অভিযান বন্ধ হয়ে যায়।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১০:০৩প্এম/১২/৬/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি