• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রাম-২ আসনে দুলাল হাজীকে নৌকার মাঝি হিসেবে চায় এলাকাবাসী


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৮, ২০১৮, ২:২৮ PM / ২২৮
কুড়িগ্রাম-২ আসনে দুলাল হাজীকে নৌকার মাঝি হিসেবে চায় এলাকাবাসী

বিশেষ প্রতিনিধি : ‘জাগো জাগো শ্লোগানে জোটবদ্ধ তারুণ্য’ আলোকিত কুড়িগ্রাম গড়তে এবার নৌকার মাঝি হিসেবে মানবতার পথিকৃত, নতুন প্রজন্মের অহংকার, যুবসমাজের প্রিয়মুখ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব এডভোকেট রুহুল আমিন দুলালকে বেছে নিয়েছে। কুড়িগ্রাম-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফর্ম নেয়া ১০ জনের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা দুলাল হাজীকে নৌকার মাঝি হিসেবে চায় এলাকাবাসী। জোটবদ্ধ তারুণ্য ইতিমধ্যে রাজারহাট, ফুলবাড়ী ও সদর উপজেলার পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে জনমত গড়ে তুলেছেন। যুবলীগ সহ নতুন প্রজন্মের সমন্বয় করে ৫১ সদস্য কেন্দ্র কমিটি করে নৌকার প্রচারণা চালাচ্ছেন। এলাকার উন্নয়ন কাজ এবং নতুন প্রজন্মের বাসযোগ্য আলোকিত সমাজ গড়তে ব্যতিক্রমী এই জোট করেছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন প্রজন্ম রাজপথে দাবী তুলেছে আলোকিত কুড়িগ্রাম গড়তে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, লাঞ্ছনা, নির্যাতন আর অদক্ষতার কারনেই তারুণ্যে আজ জোটবদ্ধ। নতুন প্রজন্মের স্বপ্নময় স্বপ্নিল আলোকিত কুড়িগ্রাম গড়তে চান? তাহলে আপনি ও জোটবদ্ধ হয়ে তারুণ্যের পক্ষে আওয়াজ তুলুন। নইলে বঞ্চনার ইতিহাসের পাতা বাড়তেই থাকবে। কুড়িগ্রাম-২ আসনে জন্মনেয়া সবাই পড়ুন তারপর নিজের বিবেকের কাছে উত্তর পাবেন। বাংলার মমতাময়ী মা, জননেত্রী শেখ হাসিনা তারুণ্যের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি চলমান এবং নুতুন প্রজন্ম কে দক্ষ ও মানবসম্পদ তৈরি করে আধুনিক বিশ্বের অন্যতম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মাথা উচু করে দাঁড়ানোর মাহেন্দ্রক্ষণে আলোকিত কুড়িগ্রাম গড়ার স্বপ্নে জোট বেধেছে তারুণ্য। অতীত ইতিহাস আর বঞ্চনা নয় এবার হবে শুধুই বিজয়।

অনুসন্ধানে জানা যায় যায়, কুড়িগ্রাম-২ অাসনের সাড়ে তিন লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ভোটার তরুণ যাদের বয়স ৩০ এর নিচে। স্বাধীনতার পর ১০ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ জন এমপিও, তারা অনেকেই মন্ত্রী ছিলেন তারপরও বঞ্চনা রয়েগেছে। বাস্তবতা হচ্ছে বরাবরই অামরা বিরোধীদলের সংসদ সদস্য পেয়েছি জোট-মহাজোটের নানান হিসেব-নিকাশের কারণে। অবহেলিত কুড়িগ্রামের ৪টি সংসদীয় অাসনের মতো এই অাসনটির মানুষদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে তথাকথিত কিছু ভন্ড-প্রতারকরা।

সারাদেশে যখন তরুণদের সাথে নিয়ে সংসদ সদস্যরা হাজারো ভালো কাজ করে যাচ্ছেন অামাদের এমপিরা সেখানে তরুণদের পাত্তাই দিতে চাননা। তরুণদের প্রতিভা কাজে না লাগিয়ে উল্টো নানানভাবে মাদক, জুয়া, অশ্লিল কাজে ব্যস্ত রেখে একটা প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়ে নিজেদের মতো করে রাজত্ব করে যাচ্ছে গুটিকয়েক রাজনৈতিক নেতা।

অামরা অামাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, এলাকার উন্নয়নের জন্য তাদের ভোট দেই অথচ এমপি হওয়ার পর তাদের প্রধান কাজ হয়ে যায় নিয়োগ বানিজ্যটি-অার কাবিখা ত্রাণের টাকা মেরে খাওয়া অার নিজেদের এবং অাত্নীয় স্বজনদের ভাগ্য উন্নয়ন। অামাদের ছেলেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার পর টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারলো কিনা এদের খোঁজ নাই, সামান্য একটু সুপারিশ করলে হয়তো একটা ছেলের চাকুরীটা হয়ে যেতো এদের কাছে গেলে ১০ লক্ষ টাকা চেয়ে বসে থাকে, এলাকায় বন্যা হলে কিসের নিজের পকেট থেকে টাকা দিবো উল্টা সরকারি তহবিলের টাকা মেরে দেয়। মসজিদ-মন্দির-স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার বরাদ্দের টাকা মেরে এরা নিজের জন্য গুলশান-বনানীতে ফ্লাট কিনে।

সংসদে যাওয়ার পর এলাকার উন্নয়নের জন্য চাইতে এদের ভয় হয়, হাত-পা কাপে, গলার অাওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়। অামাদের বরাদ্দ কেটে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ হয় সবচেয়ে ধনী জেলা অার অামরা হই সবচেয়ে গরিব।

এসব অার সহ্য করা যায়না। অামাদের এমপিকে অামরা বছরে একবারও সংসদে কথা বলতে দেখিনা, অামাদের এমপির সাথে অামরা দেখা করতে পারিনা, কথা বলতে পারিনা, অামাদের কষ্টের কথা বলতে পারিনা তাইলে সেই এমপি দিয়ে কাজটা কি?

এই বঞ্চনার পরিবর্তন এখন সময়ের দাবী, তাইতো জাগো জাগো শ্লোগানে  তরুণ প্রজন্মের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে আমজনতা অাওয়াজ তুলেছে চেঞ্জ করার এই সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা চিন্তা করে নৌকার মাঝি হিসেবে তারুণ্যের চাওয়া পুরন করবে। আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দিয়ে এডভোকেট রুহুল আমিন দুলাল এর মাধ্যমে দেশরত্ন, শেখ হাসিনা আলোকিত কুড়িগ্রাম গড়ার তারুণ্যের স্বপ্ন সফল করবেন।

নিজেদের জন্য, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বাসযোগ্য অাধুনিক কুড়িগ্রাম গড়তে তারুণ্যের জোটের পক্ষে সবাই মিলে, দলমত নির্বিশেষে কাজ করি ৩০ ডিসেম্বর নিজেদের ও পরিবারের ভোট নৌকায় দিয়ে আলোকিত কুড়িগ্রাম গড়ে তুলবেন।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এআরবি/এসডিপি/২:২২পিএম/১৮/১১/২০১৮ইং)