• ঢাকা
  • সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন

কিশোর শরীরচর্চায় বাংলাদেশ শীর্ষে


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৩, ২০১৯, ৯:১১ AM / ১০৫
কিশোর শরীরচর্চায় বাংলাদেশ শীর্ষে

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা বা শরীরচর্চায় সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে দক্ষিণ কোরিয়া। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ১১ হতে ১৭ বছর বয়সী শিশুরা শারীরিকভাবে মোটেই সক্রিয় নয়, অর্থাৎ তারা যথেষ্ট পরিমাণে শরীরচর্চা বা খেলাধূলায় অংশ নিচ্ছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরিপে বলা হচ্ছে, বিষয়টা এখন প্রায় মহামারির রূপ নিয়েছে। কারণ যথেষ্ট শরীরচর্চার অভাবে শিশুদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে, তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের সামাজিক মেলামেশার দক্ষতা কমছে।

তবে এই জরিপে অবাক করার মতো একটি তথ্য হচ্ছে, শারীরিক সক্রিয়তার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে ভালো। অর্থাৎ শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার সমস্যা বাংলাদেশের শিশুদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম।

দিনে অন্তত এক ঘণ্টা শরীরচর্চা বা কোনো ধরনের খেলাধুলায় অংশ না নিলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাকে ‘শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা’ বলে গণ্য করে।

জরিপে দেখা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার মেয়েরা (৯৭%) এবং ফিলিপাইনের ছেলেরা (৯৩%) হচ্ছে শারীরিকভাবে সবচেয়ে নিষ্ক্রিয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের শিশুদের মধ্যে এর হার ৬৬%। মোট ১৪৬টি দেশের ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে বলা হয়, শিশুদের শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার এই সমস্যা আফগানিস্তান থেকে শুরু করে জিম্বাবুয়ে- কমবেশি সব দেশেই আছে। ১১ হতে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে চারজনই যথেষ্ট শরীরচর্চা করছে না, খেলাধুলা করছে না।

কী ধরনের খেলাধুলা বা শরীরচর্চাকে গোনায় ধরা হয়েছে
যেকোনো শারীরিক তৎপরতা, যাতে হৃৎস্পন্দন দ্রুততর হয় এবং ফুসফুসের মাধ্যমে আমাদের শ্বাস নিতে হয় ঘন ঘন, সেটাকেই হিসেবে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে আছে দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, ফুটবল, লাফ দেয়া, স্কিপিং, জিমন্যাস্টিকস।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, প্রতিদিন অন্তত ৬০ মিনিট ধরে মধ্যম বা তীব্র মাত্রার শরীরচর্চা করা উচিত।

কেন শরীরচর্চা করা দরকার
> হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুসকে কর্মক্ষম রাখা
> হাড় এবং পেশীকে শক্তিশালী করা
> মানসিক স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখা
> ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সব দেশেই সমস্যাটা একই রকম। বাংলাদেশের অবস্থান যদিও সূচকে বেশ ভালো, তারপরও সেদেশেও ৬৬ শতাংশ শিশু প্রতিদিন এক ঘণ্টা যে শরীরচর্চা বা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার কথা, সেটা করছে না।

ফিলিপাইন আর দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। যুক্তরাজ্যে ৭৫ শতাংশ ছেলে এবং ৮৫ শতাংশ মেয়ে শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়, অর্থাৎ তারা দিনে এক ঘন্টা ব্যায়াম করছে না। সূত্র : বিবিসি বাংলা

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/কেএস/৯:১২এএম/২৩/১১/২০১৯ইং)