ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : কানাডায় কখনো গাঁজা বৈধ হবে, এটাই এক সময় বহু কানাডিয়ানের জন্য একটা ছিল ‘গাঁজাখুরি’ চিন্তা। কিন্তু এখন আর তা নয়। মাত্র তিন দিন পরই ১৭ অক্টোবর, কানাডায় ‘আনন্দের জন্য গাঁজা সেবন’ বৈধ হয়ে যাচ্ছে।
কানাডাই হতে যাচ্ছে প্রথম জি-সেভেন দেশ যারা গাঁজা বৈধ করছে। এবং সঙ্গে গাঁজা উৎপাদন ও বিক্রি একটি বিরাট শিল্প হয়ে উঠতে যাচ্ছে।
যারা গাঁজা উৎপাদক-বিক্রেতা হতে যাচ্ছেন তাদের ইতোমধ্যেই নাম দেওয়া হয়েছে ‘গাঞ্জাপ্রেনিউর’। ইংরেজি এন্ট্রেপ্রেনিউর বা উদ্যোক্তা শব্দটির সঙ্গে গাঁজা জুড়ে দিয়ে।
এমনই একজন গাঁজা উদ্যেক্তার নাম বিনয় টোলিয়া। বিনয় গাঁজা ব্যবসার জন্য ‘ফ্লোআর’ নামের একটি কোম্পানি খুলেছেন।
বিনয়ের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন টম ফ্লো নামে আরেক ব্যবসায়ী। তারা ইতোমধ্যে গাঁজা চাষের জন্য ৮৪ হাজার বর্গফুটের এক বিশাল ফার্ম করেছেন। সেখানে অত্যন্ত আধুনিক উপায়ে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যার পরিবেশ অনেকটা ফার্মাসিউটিক্যাল ল্যাবরেটরির মতো।
এখানে থাকবেন বিজ্ঞানী ও গবেষক, যারা গাছের জাত, এবং সেবনকারীদের দেহে এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে কাজ করবেন।
ফ্লোআর দাবি, এখানে বিপুল পরিমাণে উচ্চমানের গাঁজা উৎপাদিত হবে।
কেলি কোল্টার নামের অপর এক ব্যক্তি একটা গাঁজার ফার্ম করছেন।
কেলি বলেন, ‘আমার ফার্ম হবে ছোট, অনেকটা ইতালির ছোট আঙুরের ক্ষেতের মতো। শীতের সময় আমরা বিশ্রাম নেব।’
কেলির ফার্মের ব্যবসায় আবার কাজ করবেন শুধু নারীরা।
অন্যদকে শন রোবি নামে আরেক ব্যবসায়ী আবার ‘গাঁজা-পর্যটনের’ ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন।
শন একটি ওয়েবসাইট খুলেছেন যেখানে বিভিন্ন দেশে ১০০টি ছোট হোটেলের তালিকা আছে। সেখানে লোকে গিয়ে শুধু গাঁজা সেবনই নয়, গাঁজাসেবীদের ইয়োগা ক্লাস, প্রশিক্ষণ এবং আরও নানারকম উপভোগ্য ব্যবস্থা থাকবে।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১২:২০এএম/১৫/১০/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি