ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : আফ্রিকার কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজ ১৮ মে(শুক্রবার) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ইবোলা সংক্রমণটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে গণ্য করা হবে কি না, বৈঠকে সে সিদ্ধান্ত নেবে সংস্থাটি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কঙ্গোতে চলমান ইবোলা প্রকোপে ইতোমধ্যে ৪৪ জন সংক্রমিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২৩ জনের মৃত্যু নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।
এদিকে কঙ্গোর এমবাডাংকা এলাকায় একজন ইবোলায় আক্রান্ত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এমবাডাংকা এলাকাটি কঙ্গো নদীর তীরে অবস্থিত। সেখানে প্রায় ১০ লাখ লোকের বসবাস। আশঙ্কা করা হচ্ছে, জনবহুল এই এলাকা থেকে নদীপথে মানুষের যাতায়াতের কারণে ইবোলা আরও ছড়িয়ে পড়বে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা এবং কঙ্গোর আশপাশের দেশগুলো।
৮ মে কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতির বিষয়ে নিশ্চিত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কঙ্গোতে এ নিয়ে নবম বারের মতো ইবোলা সংক্রমণ দেখা গেল। ১৯৭৬ সালে প্রথমবারের মতো কঙ্গোতে এ সংক্রমণ দেখা যায়। সে সময়ে কঙ্গোর নাম ছিল জায়ারে।
কঙ্গোর ইবোলা নদীর নামে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে। ইবোলা ভাইরাস ফ্রুট ব্যাট বা বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত বন্যপ্রাণীর মাংস খেলেও তা মানুষের মাঝে ছড়ায়।
ইবোলায় আক্রান্ত মানুষের শরীরের ভেতরে রক্তক্ষরণ ঘটে এবং তাতে মৃত্যুর সম্ভাবনাই বেশি। শরীর হতে নির্গত তরলের মাধ্যমে তা দ্রুত ছড়ায়। এর লক্ষণগুলো সহজে বোঝা যায় না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পিটার সালামা জানিয়েছেন, এমবাডাংকার ইবোলা সংক্রমণটি নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ রয়েছে। কারণ এটি একটি শহর এলাকা। ফলে দ্রুত রোগের প্রকোপ ছড়াতে পারে। এমবাডাংকায় ইতোমধ্যেই রোগীদের আলাদা করে ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার সেখানে চার হাজার পরীক্ষামূলক ইবোলা ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১১:১৮এএম/১৮/৫/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি