ঢাকারনিউজ২৪.কম, ঢাকা : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমার একের বেশি আসনে নির্বাচন করার যোগ্যতা নেই।
আসন্ন নির্বাচনে কয়টি আসন থেকে আপনি নির্বাচন করছেন জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
শুক্রবার সকালে ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওবায়দুল কাদেরের কাছে জানতে চাওয়া হয়- দলের কোনো হেভিওয়েট প্রার্থী বাছাই হয়েছে কিনা। জবাবে তিনি বলেন, বাদ পড়ছে কে, সেটি না জানবেন।
তখন বাদ পড়ছেন কে, জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ঘোষণা যখন দেব, তখন জানতে পারবেন। ঘোষণা করার আগে আমি বলতে পারি না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সেক্রেটারি হয়ে যদি আমি দলের নিয়ম লঙ্ঘন করি, তা হলে ইসির নিয়মও আমি মানছি না। কাজেই আমাকে সবার আগে নিজ দলের নিয়মকানুন মানতে হবে।
এ সময় কয়টি আসনে নির্বাচন করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার একের বেশি আসনে নির্বাচন করার যোগ্যতা নেই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন নয়াপল্টনের অফিস ও অফিসের সামনে মনোনয়নের জন্য যে জোয়ার, এটি ধানের শীষের জোয়ার হতে পারে, সারা দেশে এ জোয়ার নেই।
‘সারা দেশে নৌকার জোয়ার। অফিসে, অফিসের সামনে যে জোয়ার, এটি দিয়ে যদি বিএনপির নেতারা রঙিন খোয়াব দেখেন, তা হলে ৩০ ডিসেম্বর টের পাবেন-সত্যটা কী।’
অলি আহমেদ বলছেন, এখনও নির্বাচন হয় কিনা তা নিয়ে সন্দিহান-এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে কে কোন কথা বললেন, তা দিয়ে নির্বাচনের ভবিষ্যৎ ব্যক্ত করা যায় না। অনেকে সংশয় প্রকাশ করছেন। আমরা চাই সবার সহযোগিতায় সংশয়ের এ মেঘ কেটে যাক।
‘কামাল হোসেন নিঃশর্তভাবে তারেক রহমানের নেতৃত্ব মেনে নিয়েছেন। তিনি ঐক্যফ্রন্টের মাঠের ফেইস হিসেবে কাজ করছেন, যেখানে তিনি নাম সর্বস্ব আছেন।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যেখানে তিনি তারেক রহমানের কলঙ্কিত নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন, সেখানে আমার কিছু বলার নেই।
ইভিএম প্রসঙ্গে বলেন, সিলেটের দুটি ইভিএমেই আমরা হেরে গেছি। তবে কেউ আদালতে গেলে সেটি মোকাবেলা হবে। আদালতে তো ব্যবস্থা আছেই।
বিএনপি নেতা এহসানুল হক মিলনের গ্রেফতার, যশোর জেলা বিএনপির লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে এসব ঘটনা মিলে বিএনপি বলছে-তাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই আবার গুম-খুনের রাজনীতি শুরু হয়েছে।
সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যশোরের কোনো প্রার্থীর বুড়িগঙ্গা নদীতে লাশ। এখানে তো ডাল মে কুচ কালা হায়। তার সঙ্গে তার দলের কোনো প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতে পারে, তাকে সরিয়ে দিলে তিনি হয়তো নমিনেশন পাবেন। এ আশা থাকতে পারে।
‘এখানে আওয়ামী লীগের কোনো স্বার্থ নেই। এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ ব্যাপার হতে পারে। তদন্ত করলে সব বেরিয়ে আসবে।’
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/২:৫৫পিএম/২৩/১১/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি