সাব্বির আহমেদ, ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট সংলগ্ন কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে কোন রকম স্পিড ব্রেকার না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট সংলগ্ন মহাসড়কে বাস-ট্রাকের গতির কাঁটার ঊর্ধ্বগতি লক্ষণীয়, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকিস্বরূপ।
কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে সর্বমোট ২৫ টির উপরে স্পিড ব্রেকার থাকা সত্ত্বেও দুই জেলার সব থেকে গর্বের স্থান ইবির মেইনগেটে নেই কোন স্পিড ব্রেকার। বাংলাদেশ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্পিড ব্রেকার থাকা আবশ্যক। কিন্তু তার কোন বালাই নেই ইবির মেইনগেটের মহাসড়কে। বাসের গতিসীমা সর্বোচ্চ ২0 কি.মি লেখাসম্বলিত সাইনবোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সীমান্তে শোভা পেলেও চালকদের সেদিকে কোন ভ্রূক্ষেপ নাই। গতিসীমা সর্বোচ্চ ২0 কি.মি লেখাসম্বলিত স্থানে ৪0-৫0 কি.মি গতি পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেটের সামনে বাস স্টপেজ থাকলেও সেখানে শিক্ষার্থীদের বাসে উঠতে হয় একরকম লড়াই করে ।বাসে উঠার আগেই বাসের চাকা চলতে শুরু করে তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে, যার পরিণতিতে হতে পারে কারো গন্তব্যের শেষ।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্ট্রর অধ্যাপক ড.মাহবুবুর রহমান ঢাকারনিউজ২৪.কম'কে বলেন, আমরা প্রক্টর অফিস এবং প্রশাসন খুব দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান দিতে তৎপর। খুব শ্রীঘ্রই কাজ শুরু হবে এবং দুর্ভোগের সমাপ্তি ঘটবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম ঢাকারনিউজ২৪.কম'কে বলেন, পূর্বে রাস্তায় গতিরোধক ছিল। কিন্তু রাস্তা সংস্কারের পরে হতে স্পিড ব্রেকারগুলো হারিয়ে গেছে। আমরা ইতোমধ্যেই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে এনেছি, খুব দ্রুতই মেইন গেটের দুপাশে দুটি গতিরোধক দেয়া হয়। এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্পিড ব্রেকারের উপর জোর দিয়েছেন”।
সময়ের থেকে জীবনের মূল্য অনেক বেশি কথাগুলো আমাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না ।আর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জীবনের মূল্য দিতে না পারলে দেশের অদূর ভবিষ্যৎ যে খুব একটা সুখকর হবে না তা হলফ করে বলা যায় ।
প্রসাশনের উচিত এদিকে সুদৃষ্টি দিয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান করা ।নাহলে একটা দুর্ঘটনা সারাজীবনের কান্না কথাটির মর্ম প্রসাশন বুঝবে যেদিন কারো বুক খালি হবে "স্টপেজের স্পটে"।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৪:১৮পিএম/৩৮/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি