সাব্বির আহমেদ, ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং এর নামে শারিরিক ও মানসিক হয়রানি বন্ধের দাবিতে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে এ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়৷
আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১.৩০ মিনিটে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে র্যালিটি বাহির হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষীণ শেষে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামের সামনে এসে শেষ হয়৷ এসময় বিশ্বিবদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টাসহ কয়েকজন শিক্ষক র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিতে বিভিন্ন বিভাগের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়ঃ
ফলিত পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের হাবিবুর নামের এক শিক্ষার্থী বলেন,র্যাগিং বলতে আমরা পরিচিত হওয়াকে বুঝি, কিন্তু বর্তমানে র্যাগিং এর নামে যা হচ্ছে তা একরকম অমানবিক। নতুনদেরকে অনেকভাবে হেনস্তা করা হয় যা আসলে ঠিক না। এতে করে নবীনরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়।
ইসলামের ইতিহাস বিভাগের পারভেজ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের প্রথম ধাপেই র্যাগিং এর শিকার হইলে অনেক শিক্ষার্থী ডিপ্রেশনে চলে যায়। যা একজন শিক্ষার্থীর জীবনে বড় অভিশাপ হতে পারে।
পুর্বাশা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথমে নবীনরা অভ্যর্থনার বদৌলতে একরকম হেনস্তার শিকার হচ্ছে। নতুম জায়গায় বড়দের কাছে এরকম আচরণে অনেক শিক্ষার্থীই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে থাকে। তাই এর প্রতিকার এখন সময়ের দাবি।
মেহেদী হাসান নামের অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, বিভাগের বড় ভাইয়া আপুদের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য র্যাগিং হলো একধরনের প্রচলিত পদ্ধতি। করে কিন্তু র্যাগিং এর নামে যেভাবে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করা হচ্ছে তা একধরনের অন্যায়। আমরা এর প্রতিকার চাই। এবং আমি চাই পরে যাতে আর কোন ছোটভাই র্যাগিং এর শিকার না হয়।
র্যালি শেষে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়৷ এসময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন ও প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. আনিছুর রহমান।বক্তারা বলেন,র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে বর্তমান ইবি প্রশাসনের জিরো টলারেন্স।র্যাগিং এ জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/কেএস/১০:১০পিএম/৩/৪/২০১৯ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি