• ঢাকা
  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন

ইবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৪, ২০১৯, ৪:৩২ PM / ১০৭
ইবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও

সাব্বির আহমেদ, ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ও বুধবার ভোর রাত ৪টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের গ্রেফতারের দাবীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ঘেরাও করে আন্দোলন করছে।

বুধবার সকালে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থীরা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির দাবীতে প্রশাসন ভবনের সামনে অনশন বসে আন্দোলন করেছে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি না থাকায় চাকরি ক্ষেত্রে আমাদের নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী আমাদের ন্যায্য অধিকার।

এদিকে বুধবার ভোর রাতে অনশনে আন্দোলনরত কয়েকজন শিক্ষার্থীদেরকে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবীতে প্রশাসন ভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসে আছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে ভোর রাত সোয়া ৪টা পর্যন্ত পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনের ডীন অফিসে অনুষদেরর ডীন ও ছাত্র উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে শিক্ষার্থীদের সাথে বহুবার কথা বলেও তাদেরকে কনভেন্স করা সম্ভব হয়নি তখন পুলিশি সহায়তায় তালা ভেঙ্গে ডীন ও ছাত্র উপদেষ্টা উদ্ধার করা হয়। এ আন্দোলনকে উসকানিমূলক, অন্যদিকে প্রবাহিত এবং শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রেক্ষিতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়।

শিক্ষার্থীদের কয়েকজন প্রতিনিধি উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্যের সাথে সাক্ষাত করেন পরে শিক্ষার্থীদেরকে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের সকল বিষয়ে আমরা সহানুভূতিশীল তাদের আচরণের উপর নির্ভর করবে আমাদের সহানুভূতি তারা গ্রহণ করবে কিনা।আর শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাব।

শিক্ষার্থীদের গ্রেফতারের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ বলেন, শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মমতাজুল ইসলাম ও ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনকে জিম্মি করে রাখে। জিম্মি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা যায়, গত বছরের ১২ নভেম্বর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ফলিত রসায়ন ও ক্যামিকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সমন্বয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ চালু করা হয় এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৪:৩৩পিএম/২৪/৪/২০১৯ইং)