ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : গতকাল রোববার(১৩ মে) ইন্দোনেশিয়ার তিনটি গির্জায় এক পরিবারের সদস্যরাই সন্দেহভাজন আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। এই হামলার পরপরই আবার একটি পুলিশ স্টেশনের সামনে মোটরবাইকে করে বোমা হামলা হয়েছে।
১৪ মে, সোমবার ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া শহরে একটি পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এই হামলা ঘটে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এক ব্যক্তি মোটরবাইক নিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির গেট পর্যন্ত যান, সেখানেই বিস্ফোরিত হয় বোমা। এই হামলায় চার পুলিশ এবং ছয়জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এই হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি।
১৩ মে, রবিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইন্দোনেশিয়ার গির্জায় আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। খবর বিবিসি অনলাইন।
একই পরিবারের মা ও তার দুই সন্তান একটি গির্জায় আত্মঘাতী বোমা হামলা চালান, অন্যদিকে বাবা আরও তিন ছেলেকে নিয়ে অপর দু’টি গির্জায় হামলা চালান গতকাল।
রবিবারের এই হামলায় অন্তত এখন পর্যন্ত ১৩ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী এই পরিবারটি কিছুদিন আগে সিরিয়ায় ভ্রমণে গিয়েছিল। দেশটির পুলিশ প্রধান টিটো কারনাভিয়ান জানান, পরিবারটি ইন্দোনেশিয়ার ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠীর মতাদর্শের একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।
২০০৫ সালের পর এটিই ইন্দোনেশিয়ায় সবচেয়ে ভয়াবহ বোমা হামলা। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো এ হামলাকে ‘বর্বরোচিত’ আখ্যা দিয়েছেন।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১:৪০পিএম/১৪/৫/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি