জান্নাতুল ফেরদৌস : আমি আমার স্বার্থে বলছিনা,কারন আমি প্রবাসি শ্রমিক নই,কিন্তু প্রবাসিদের সাথে আমার এক আত্মার সম্পর্ক রয়েছে,আমি জানি কি করে শূন্য সংসার পূর্ণ করতে যায় প্রবাসে,আমি দেখেছি সহায় সম্বল বিক্রি করে আপন জনদের মমতা ভূলে কি করে চোখের জল আড়াল করে রাখে পরিবারের হাসি ফুটাতে.....
আজ ইরাকে যে সংকট দেখা দিয়েছে ইরাক প্রবাসিদের মাঝে তা কেবলই হয়রানি মনে হয়েছে আমার কাছে,কারন বিশ্বের সকল দেশেই অবৈধ প্রবাসি রয়েছে,এমনকি আমার নিজ দেশেও....
সব দেশেই বৈধতার কিছু সুযোগ দিয়ে থাকেন সরকার নিদৃষ্ট সময়ের জন্য,যার ফলে অবৈধ নাগরিক বৈধতার সুযোগ পায় আইনি জটিলতা কাটিয়ে....
আমি অবৈধ প্রবাসিদের পক্ষে নই,সবার মতো আমিও নিয়ম নীতিমালাকে সম্মান করি।
আমি শুধু বলতে চেয়েছি,যদি নতুন করে প্রবাসি নিয়োগ করা হয় তবে যারা আছে বা অবস্থান করছে তাদের বৈধতা দিতে ক্ষতি কি?
তাদেরকে কাজে লাগিয়ে বাকীটা নতুন করে পূরন করা যেতে পারে।
এর ফলে শ্রম সংকট নিরসন হলো আবার অবৈধ প্রবাসিরা বৈধতা পেলো,যার কারনে অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হবার হাত থেকে রক্ষা পেয়ে স্বস্তি ফিরে আসতে পারে......
যদি আমার এ চেতনা যৌক্তিক হয় তবে আমি ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রতিনিধী এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অাকুতি জানাই আপনার কূটনীতিক ভাবে ইরাক সরকারের সাথে সমঝোতা করে হাজারো পরিবার কে বিপদমুক্ত করুন,এবং দেশে ফিরে এসে যাতে বেকারত্বের বোঝা মাথায় নিয়ে লোকগুলো যেন বিপদগ্রস্ত বা অন্ধকারে না হারায় সেদিকে সদয় দৃষ্টি দেওয়ার জন্য আহবান জানাই।
আশাকরি বাংলাদেশ সরকার ও ইরাক সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবেন,হাজারো মায়ের বোনের অশ্রুশিক্ত চোখের পানি মুছে দিয়ে এক ঝলক হাসি ফুটাতে এগিয়ে আসবেন.....প্রবাসিদের কেউ আপনার সন্তান,ভাই,বাবা,বা স্বজন..প্রবাসির স্বজনরাই আপনাদের ভোট দিয়ে প্রতিনিধী নির্বাচিত করে....পরিশেষে আমরা একে অপরের ভাই,আমরা বাঙ্গালী।
জান্নাতুল ফেরদৌস
ঢাকা,বাংলাদেশ।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১২ঃ৪০পিএম/২৪/৮/২০১৯ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি