প্রেস বিজ্ঞপ্তি : রাতারাতি জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড আইএমএফের ঋণ অর্জনের পথ সুগম করে দিতে পারলেও, একসাথে এত বেশী মূল্য বৃদ্ধির চাপ জনগণ সহ্য করতে পারবে না। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ সভাপতি এ্যাড বদরুদ্দোজা সুজা ও মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে আজ এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন। নেতৃদ্বয় বলেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন, মেগা প্রকল্পে সীমাহীন অনিয়ম ও অপচয়ের দায় সরকার এড়াতে পারেন না। নিজেদের অদক্ষ পরিচালনায় সৃষ্ট এই সংকটের দায়ভার এখন কৌশলে জনগণের উপর উপর চাপিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। করোনার প্রভাব, রাশিয়া-আমেরিকা-চীনের মত পরাশক্তিদের পারস্পরিক যুদ্ধ পরিস্থিতির পাশাপাশি, নিজেদের অব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা বশে আনতে সরকার ঋণের সর্বশেষ ও বিপদজনক আশ্রয় আইএমএফের শরণাপন্ন হয়েছে। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা সহ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না রেখে, একতরফা ভাবে শুধু আইএমএফের ঋণ প্রাপ্তির শর্ত পূরণে মনোযোগী হলে দেশের আগে জনগণই দেউলিয়া হয়ে যাবে।
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ সংকট, রেমিটেন্সে নেতিবাচক প্রবাহ, ডলার সংকট, টাকার অবমূল্যায়ন, করোনা পরিস্থিতিতে বেকার সমস্যা বৃদ্ধি ইত্যাদি নানামুখী সংকটের সাথে, রাতারাতি জ্বালানী তেলের এরকম আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে গোটা দেশ গভীর অনিশ্চয়তায় পতিত হবে; অর্থনীতি ও সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। নেতৃদ্বয় সরকারকে অবিলম্বে জ্বালানী তেলের অসহনীয় মূল্যবৃদ্ধির জনস্বার্থ বিরোধী এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জোর দাবী জানিয়েছেন।
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি