ঢাকারনিউজ২৪.কম, ঢাকা : আবারো সেই ‘রশিদ খান’! তবে এবার আর শুধু ম্যাচ নয়, সিরিজটাই কেড়ে নিল বাংলাদেশের কাছ থেকে। মঙ্গলবার দেরাদুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে ৬ উইকেটে হার বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে টাইগারদের ৪৫ রানে হারিয়েছিল আফগানরা। সেই ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়ে নায়ক ছিলেন রশিদ খান। এম্যাচে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকেও ধসিয়ে দিয়েছেন সেই রশিদই। নিয়েছেন ৪ উইকেট। যার ৩টি এক ওভারেই।
টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ১.১ ওভার আর ৬ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। তিন ম্যাচ সিরিজে ২-০ এ এগিয়ে গেল দলটি। টাইগাররা এখন রইলো হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায়।
বাংলাদেশ ও আফাগানিস্তানের মধ্যে এটিই ছিল প্রথম টি-টুয়েন্টি সিরিজ। যেটিতে জয় হলো আফগানদের। বাংলাদেশের ক্রিকেট ঐতিহ্য দলটির ভয়-ডরহীন ক্রিকেটের কাছে যেন মাটিতে লুটালো। এছাড়া জিম্বাবুয়ে বাদে টেস্ট খেলুড়ে কোনো দেশের বিপক্ষে এই প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা আফগানরা।
রোববার যেভাবে অসহায় আত্মসমর্পন করেছিল বাংলাদেশ তাতে সিরিজে ফেরাটা সাকিব আল হাসানের দলের জন্য কঠিনই ছিল। সবচেয়ে বড় লড়াইটা ছিল বোধ হয় নিজেদের সঙ্গেই। এমনিতেই আফগানিস্তানকে ফেভারিটের তকমা দিয়ে সিরিজ শুরু করা। তারপর টি-টুয়েন্টির বিশ্বসেরা লেগ স্পিনার ‘রশিদ’ ভীতিতে কাবু। শুধু রশিদ কেন নবীন মুজিব উর রহমান ও মোহাম্মদ নবীই বা বাদ যায় কি করে।
প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেওয়াটা যে ভুল ছিল, সে থেকে শিক্ষা নিয়ে এম্যাচে আগে ব্যটিংটাই বেছে নিল বাংলাদেশ। দুটি দুটি পরিবর্তন আনল একাদশে। দুই পেসার আবুল হাসান ও আবু জায়েদ রাহির পরিবর্তে একাদশে ঢুকলেন ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার ও আবু হায়দার রনি। ৮ জন স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান নিয়েও আক্ষরিত অর্থেই নাকাল টাইগারা। সেই তুলনায় বলতে হবে বোলাররা আগের ম্যাচের চেয়ে ভালো বোলিংই করে গেলেন। ১৩৫ রানের পুঁজি নিয়ে কতটুকু লড়াই-বা করা যায় দেরাদুনের মতো একেবারে অচেনা গ্রাউন্ডে? ম্যাচ শেষে সাকিব আল হাসানও তাই ৩০ থেকে ৪০ রান কম হওয়ার আপসোস করে গেলেন।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১২:৩৮এএম/৬/৬/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি