• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৮ Jun ২০২৪, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন

মালদ্বীপে শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করল বাংলাদেশ হাই কমিশন


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৫, ২০২৩, ১১:৪৮ PM / ৫৬২
মালদ্বীপে শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করল বাংলাদেশ হাই কমিশন

মহিনুর রহমান, মালদ্বীপ : যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং গভীর শ্রদ্ধায় বাংলাদেশ হাইকমিশন,মালদ্বীপে আজ ০৫ আগস্ট ২০২৩ তারিখে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা,বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়াবীদ শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়।পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এরপর শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয় । অত:পর মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে মিশনের তৃতীয় জনাব চন্দন কুমার সাহা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিজ শিরিন ফারজানা। আলোচনা পর্বে হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) ও দূতালয় প্রধান জনাব মো: সোহেল পারভেজ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁর স্বাগত বক্তব্যে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল –এর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তিনি তুলে ধরেন। প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে জনাব মো: দুলাল মাতবর শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল- এর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও গুনাবলী নিয়ে আলোচনা করেন। অত:পর শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর জীবনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি প্রামণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।পরিশেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মান্যবর হাইকমিশনার রিয়াল এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল –এর সাফল্যমন্ডিত কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তার মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে জাতির পিতা তাঁর পরিবারের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি তরুণ ও যুব সমাজকে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর জীবনী অনুসরণ করে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সুন্দর জীবন গঠনের জন্য আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে গৃহীত কার্যক্রমের উপর আলোকপাত করেন ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। অত:পর দেশের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনাসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল ও ১৫ আগষ্টে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা তাজুল ইসলাম।সবশেষে প্রধান অতিথি কর্তৃক উপস্থিত সকলকে নিয়ে কেক কাটা ও আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।